ঢাকাWednesday , 21 October 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অভিযোগ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-বিচার
  5. আটক
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. কৃষি-সংবাদ
  9. খেলা-ধুলা
  10. জাতীয়
  11. জীবনযাত্রা
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. দুর্ঘটনা
  14. দুর্নীতি
  15. ধর্ম

স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বরাদ্দের টাকায় নেতার বাড়ির রাস্তা সংস্কার

admin
October 21, 2026 12:04 pm
Link Copied!

ভোলা জেলার চরফ্যাশনে কাগজে-কলমে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল অন্তঃসত্ত্বা নারী এবং সাধারণ রোগীদের ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতায়াতের সুবিধার্থে কর্দমাক্ত রাস্তা সংস্কারের জন্য। কিন্তু বাস্তবে সেই সরকারি টাকায় পাকা করা হয়েছে স্থানীয় নেতার বাড়ির প্রবেশপথ। উপজেলার চর মাদ্রাজ ইউনিয়নে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির টাকা এভাবে নয়ছয় করার অভিযোগ উঠেছে।

সরকারি নথি অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের টিআর কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে দুই ধাপে ৪০০ মিটার রাস্তার সলিংকরণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৬ লাখ ৩৫ হাজার ৮৬৮ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। নির্দেশনায় স্পষ্ট উল্লেখ ছিল চরমাদ্রাজ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কেরামতগঞ্জ বাজারের মূল সড়ক থেকে উত্তর দিকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার করতে হবে। তবে সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের রাস্তাটি আগের মতোই অবহেলিত ও কর্দমাক্ত রয়ে গেছে। আর বরাদ্দের টাকায় পাকা করা হয়েছে বিএনপির স্থানীয় নেতা ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফখরুদ্দিন শাহিন মালতিয়ার বাড়ির প্রবেশপথ।

কর্দমাক্ত পথ, রোগীদের সীমাহীন ভোগান্তির শিকার স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বর্ষা মৌসুমে কেরামতগঞ্জ বাজারসংলগ্ন চরমাদ্রাজ ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতায়াতের রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা নারী এবং আশঙ্কাজনক রোগীদের এই কর্দমাক্ত পথ দিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনা-নেওয়া করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

এ প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নকারী ঠিকাদার সবুজ (যিনি এলাকায় ‘ব্যাটারি সবুজ’ নামে পরিচিত), কাজের অনিয়ম প্রশ্নে বলেন, ‘আগে যা হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনার দরকার নেই। আমি পকেটের টাকা দিয়ে হাসপাতালের সামনের রাস্তা পাকা করে দেব।’ ঠিকাদারের এমন দায়সারা বক্তব্য ও পকেটের টাকা দিয়ে সরকারি হাসপাতালের রাস্তা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিই প্রমাণ করে যে, অনুমোদিত প্রকল্পের কাজ না করে বরাদ্দের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন খাতে ব্যবহার করা হয়েছে। চরফ্যাশন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ওয়ালিউল ইসলাম স্বীকার করেছেন যে তিনি বিষয়টি জানতেন। তিনি বলেন, ‘আমি ঠিকাদারকে বারবার বলেছি, অন্য কিছু যা হয়েছে, অন্তত হাসপাতালের সামনের রাস্তাটি যেন পাকা করা হয়। কিন্তু তিনি কথা রাখেননি।’ কাজ যথাযথ না হওয়ার পরও বরাদ্দের অর্থ কেন আটকে দেওয়া হলো না এমন প্রশ্নের জবাবে পিআইও নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তারা চাইলেই অনেক কিছু করতে পারেন না, এটা আপনাকে বুঝতে হবে।’

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।