ঐতিহ্য, সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় মুক্তাগাছা প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন বাসস্ট্যান্ড হয়ে পুনরায় প্রেসক্লাব চত্বরে এসে শেষ হয়।
র্যালির উদ্বোধন ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুস ছালেহীন ও মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান খান রতন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাকারিয়া হারুন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক শামছুল হক, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র শহীদুল ইসলাম শহীদ, পৌর জামায়াতের আমির আফতাব উদ্দিন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুর্শিদুজ্জামান খান সাইফুল, উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মুজাহিদ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান খান মঞ্জু, কৃষকদলের সভাপতি মুখলেছুর রহমান, জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহসভাপতি কাজী রিপন, সহসাধারণ সম্পাদক নূরে হাসানুজ্জামান সোহাগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
র্যালি শেষে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ফেরদৌস আলমের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক ইমাম উদ্দিন মুক্তা। এতে বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান খান রতন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এম এ সালাম, বিএনপি নেতা জাকারিয়া হারুনসহ অন্যরা।
বক্তারা বলেন, সাংবাদিকতা সমাজের দর্পণ। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান এবং এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরতে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পেশাগত মর্যাদা রক্ষা ও সাংবাদিকতার মান বজায় রাখতে ঐক্য, সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তাঁরা।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ আয়োজনে প্রেসক্লাবের সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
