ঢাকাTuesday , ৩ নভেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অভিযোগ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-বিচার
  5. আটক
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. কৃষি-সংবাদ
  9. খেলা-ধুলা
  10. জাতীয়
  11. জীবনযাত্রা
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. দুর্ঘটনা
  14. দুর্নীতি
  15. ধর্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যশোরে জোড়া হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, নারীসহ গ্রেপ্তার ২।

যশোর প্রতিনিধি:
নভেম্বর ৩, ২০২৬ ৯:৩৪ am
Link Copied!

যশোরের কেশবপুরে স্বামী-স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জেসমিন বেগম (৩৮) ও মোস্তফা কামাল (৪৫)। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি কাঁচিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কেশবপুর উপজেলার ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের প্রভাত বিশ্বাসের ধানখেতে সেচ মেশিনের পানি পড়ার স্থানে দুটি অজ্ঞাতপরিচয় অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত হয়। তাঁরা হলেন আলেক সর্দার ও তাঁর স্ত্রী মাজেদা বেগম। এ ঘটনায় নিহত দম্পতির মেয়ে সাবিনা খাতুন বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা নজরদারি ও বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে গত ২ নভেম্বর জেসমিন বেগমকে গ্রেপ্তার করে কেশবপুর থানা পুলিশের একটি দল। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোস্তফা কামালকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে জেসমিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, জেসমিন ও নিহত মাজেদা অভয়নগরের আকিজ জুট মিলে কাজ করতেন। গত ৩০ অক্টোবর মিল বন্ধ থাকায় সকালে তাঁরা ঘাস কাটতে মাঠে যান। সেখানে মোস্তফা কামালের সঙ্গে জেসমিনের দেখা হয়। কয়েক মাস ধরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের সম্পর্কের বিষয়টি মাজেদা জেনে ফেলায় তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে পুলিশের দাবি।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, কলমিশাক তোলার কথা বলে মাজেদা ও তাঁর স্বামী আলেক নুর ইসলামকে ঘেরের পাশে নিয়ে যান মোস্তফা ও জেসমিন। সেখানে মোস্তফা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আলেককে আঘাত করেন। পরে মাজেদার ওড়না দিয়ে তাঁর গলায় ফাঁস দেওয়া হয়। এরপর আলেককে একটি পুরোনো সেচ মেশিনের গর্তে ফেলে দেওয়া হয়।

পুলিশের দাবি, মাজেদা তখনো জীবিত থাকায় তাঁকে কাঁচি দিয়ে আঘাত করা হয়। পরে তাঁকেও একই গর্তে ফেলে দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের পর ব্যবহৃত কাঁচিটি ঘেরের পানিতে ধুয়ে ফেলা হয়েছিল বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ রয়েছে। পরে পুলিশ ওই কাঁচি উদ্ধার করে।

গ্রেপ্তার জেসমিন বেগম কেশবপুর উপজেলার মাগুরখালী গ্রামের সরদারপাড়ার নুর ইসলাম সরদারের স্ত্রী ও খোদার আলী সরদারের মেয়ে। অপর আসামি মোস্তফা কামাল একই গ্রামের মৃত কেসমত সরদারের ছেলে।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঁচি উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত ও আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।