ঢাকাMonday , ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অভিযোগ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-বিচার
  5. আটক
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. কৃষি-সংবাদ
  9. খেলা-ধুলা
  10. জাতীয়
  11. জীবনযাত্রা
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. দুর্ঘটনা
  14. দুর্নীতি
  15. ধর্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

একাধিক নোটিশেও থামেনি ১০ তলা ভবনের নির্মাণকাজ

admin
অক্টোবর ২৬, ২০২৬ ৫:০৪ am
Link Copied!

যশোরে সরকারি রাস্তার জায়গা দখল ও সেটব্যাক না রাখার অভিযোগ, ৩ কার্যদিবসের নির্দেশনাও কতটা কার্যকর?
 যশোর প্রতিনিধি:
যশোর শহরের বি-ব্লকে মারকাজ মসজিদের পশ্চিম পাশে নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ এবার সরকারি নথিতেই উঠে এসেছে। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের যশোর উপবিভাগের একাধিক চিঠিতে ভবন নির্মাণে অনুমোদিত নকশা না দেখানো, পর্যাপ্ত সেটব্যাক না রাখা এবং সরকারি রাস্তার জায়গা ঘেঁষে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি নির্মাণকাজ বন্ধ রেখে অনুমোদিত নকশার কপি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এসব নির্দেশনার পরও ভবনটির নির্মাণকাজ চলমান থাকায় কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জাতীয় দৈনিক অভয়নগর পত্রিকার অনুসন্ধান টিমের হাতে আসা জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের যশোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলীর স্বাক্ষরিত নোটিশে দেখা যায়, যশোর হাউজিং এস্টেটের ৭ নম্বর সেক্টরের ই-১১ ও ই-১২ নম্বর প্লটের ওপর নির্মাণাধীন ভবনটি নিয়ে কর্তৃপক্ষ আপত্তি জানিয়েছে।
নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাথমিক সরেজমিন পরিদর্শনে প্লট মালিক অনুমোদিত নকশা দেখাতে পারেননি। ভবনের কিছু অংশ সরকারি রাস্তার জায়গায় রয়েছে বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পর্যাপ্ত সেটব্যাক না রেখে নির্মাণকাজ চালানোর বিষয়টিও কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে কাজ বন্ধ করার কথা বলা হলেও নির্মাণকাজ চলমান ছিল। পাশাপাশি যথাযথ নকশা অনুমোদন ছাড়া নির্মাণ এবং সরকারি রাস্তার সীমানা নষ্ট করার কারণে আইনগত জটিলতার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ১২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের একটি চিঠিতে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের যশোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আশিক আহম্মেদ সাকিব ভবন মালিককে নির্মাণকাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পর্যাপ্ত সেটব্যাক না রেখে সরকারি রাস্তার জায়গা ঘেঁষে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে, যা নির্মাণবিধির পরিপন্থী বলে কর্তৃপক্ষের পরিদর্শনে উঠে এসেছে।
ওই চিঠিতে পত্র প্রাপ্তির পরবর্তী তিন কার্যদিবসের মধ্যে নির্মাণকাজ বন্ধ করে অনুমোদিত নকশার কপিসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। অথচ এরপরও নির্মাণকাজ চলমান থাকার বিষয়টি সামনে আসায় প্রশ্ন উঠেছে, নির্দেশনাটি বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়েছে এবং নির্দেশ অমান্যের বিষয়ে কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নিয়েছে।
এর আগে ভবনটির নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগে গণপূর্ত বিভাগ ও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের যৌথ অভিযানে সামনের অংশ ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। এরপরও আবার নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করে জাতীয় দৈনিক অভয়নগর পত্রিকার অনুসন্ধানী টিম।
এ বিষয়ে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের যশোর উপবিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আশিক আহম্মেদ সাকিব, এর আগে জানিয়েছিলেন, ভবনটি অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী না হওয়ায় সেটি ভেঙে সংশোধন করতে অথবা নতুন করে নকশা অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। তাঁর দপ্তরে এ-সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র জমা পড়েনি বলেও তিনি জানিয়েছিলেন।
তাহলে নতুন নকশা অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে কি না, আর সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে নির্মাণকাজ কীভাবে চলছে—এ প্রশ্নের উত্তর এখনো পরিষ্কার নয়। এ বিষয়ে ভবন  মালিকদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ করেননি।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, একাধিকবার নোটিশ দেওয়া এবং নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশের পরও যদি কাজ চলতে থাকে, তাহলে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা কোথায়? সরকারি নথিতে আপত্তির বিষয়গুলো উল্লেখ থাকার পরও কেন নির্মাণকাজ বন্ধ হয়নি, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।