ঢাকাMonday , ২ নভেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অভিযোগ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-বিচার
  5. আটক
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. কৃষি-সংবাদ
  9. খেলা-ধুলা
  10. জাতীয়
  11. জীবনযাত্রা
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. দুর্ঘটনা
  14. দুর্নীতি
  15. ধর্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঝাঁপা রাজগঞ্জের ‘মাতৃছায়া’ এনজিও’র বিরুদ্ধে অনিয়মের পাহাড়: এমআরএ ও পিকেএসএফ-এর নিয়ম লঙ্ঘন করে চলছে রমরমা বাণিজ্য।

Link Copied!

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ এলাকার ‘ঝাঁপা’ (রেজিস্ট্রেশন নং- য-১০৯৪/০৪) নামের একটি এনজিও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নীতিমালা তোয়াক্কা না করে স্বেচ্ছাচারিতা ও নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ৭টি শাখা নিয়ে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানে সাধারণ কর্মী ও গ্রাহকদের ওপর এক প্রকার নিয়মবহির্ভূত চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) ও পিকেএসএফ-এর কঠোর নির্দেশনা থাকলেও তা পুরোপুরি উপেক্ষা করে চলছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

এমআরএ-এর সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যে, শুক্রবার ও শনিবার কোনো এনজিও অফিস খোলা রাখা যাবে না। কিন্তু ‘মাতৃছায়া’ এনজিও এই নিয়মের তোয়াক্কা না করে মাসের তিন সপ্তাহ শুক্রবার ও শনিবার অফিস খোলা রাখছে এবং মাত্র এক সপ্তাহ বন্ধ রাখছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি নিয়মের বাইরে গিয়ে শনিবারেও নিয়মিত ঋণ বিতরণ করছে। এমনকি বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার জোরপূর্বক কিস্তি আদায় করে শনিবারে তা নতুন ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ এনজিও আইনের পরিপন্থী।

এনজিওর নিয়ম অনুযায়ী সদস্য ও জামিনদারদের কাছ থেকে কোনো ধরনের ব্ল্যাংক বা ফাঁকা ব্যাংক চেক নেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অথচ এই এনজিওর প্রতিটি সদস্যের কাছ থেকে জোরপূর্বক ব্ল্যাংক চেক নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া অসহায় কর্মীদের প্রতি কর্তৃপক্ষের আচরণ অত্যন্ত শৃঙ্খলাবহির্ভূত ও মানহানিকর বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মীরা জানান, তাদের প্রতি অমানবিক নির্যাতন করা হয়। বলতে গেলে চাকরি থাকবে না তাই আমরা কোনো বিষয়ে মুখ খুলি না।

লোনের আড়ালে পণ্য বিক্রির রমরমা বাণিজ্য:
এমআরএ-এর নিয়মানুযায়ী কোনো মাইক্রোফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠানে ঋণ বা ঋণের অর্থের বিপরীতে সরাসরি পণ্য বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অথচ ‘ঝাঁপা’ এনজিও ঋণের বিপরীতে দেদারসে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করছে, যা ওয়ালটন শোরুমের মতো বাণিজ্যিক রূপ নিয়েছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, লোনের বিপরীতে নির্ধারিত নিয়মের বাইরে গিয়ে ১০% হারে সঞ্চয়ও আদায় করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।

এ বিষয়ে শাখা ব্যবস্থাপক বিপ্লব কুমার রায় জানান, “আমাদের দুই শুক্রবার ও শনিবার অফিস খোলা থাকে এবং বাকি দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকে। আর আমরা মালামাল ঋণ বিতরণের মাধ্যমে বিক্রি করি না।”

মনিটরিং অফিসার আশরাফুল ইসলাম জানান, “আমরা সকল সপ্তাহ বন্ধ রাখার চেষ্টা করছি এবং মালামাল আলাদা বিক্রির ব্যবস্থা করছি।”

এ বিষয়ে এনজিওর নির্বাহী পরিচালক-এর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এমআরএ ও পিকেএসএফ-এর নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলা এই অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহক ও এলাকাবাসী।

পরবর্তী ভিডিও নিউজ দেখার জন্য চোখ রাখুন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।